Header Ads

Header ADS

মহালয়ার সকালের সূচনা শারদীয় দুর্গাপূজা


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আজ রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) মহালয়া। ভোর থেকেই চণ্ডীপাঠ ও দেবী বন্দনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পূজার সূচনা।

দেবীপক্ষের সূচনা

মহালয়াতেই দেবীপক্ষের আগমন ঘটে। পুরাণে বলা হয়েছে, এ দিন দেবীদুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল। ভোরের শ্রীশ্রী চণ্ডীপাঠ ও দেবীর আহ্বান দিয়েই শুরু হয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা।

রাজধানীজুড়ে আয়োজন

দিনটি ঘিরে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, শ্রীশ্রী রমনা কালীমন্দির, শ্রীমা আনন্দময়ী আশ্রম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ অনুষ্ঠান ও চণ্ডীপাঠ।

মহালয়ার তাৎপর্য

মহালয়ায় দেবীর আহ্বান করেন ভক্তরা। চণ্ডীতে আছে দেবীর সৃষ্টির বর্ণনা, প্রশস্তি এবং অশুভ শক্তি বিনাশের কাহিনি। দেবীদুর্গা পূজিত হন শক্তির উৎস ও অশুভ বিনাশিনী রূপে।

পূজার দিনক্ষণ

  • ২৮ সেপ্টেম্বর – মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু।
  • ২৯ সেপ্টেম্বর – মহাসপ্তমী।
  • ২ অক্টোবর – বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার সমাপ্তি।

পুরাণের বর্ণনা

মহালয়ার দিনেই দেবীদুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। শিবের বর অনুযায়ী, কোনো দেবতা বা মানুষ মহিষাসুরকে হত্যা করতে পারত না। তখন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব মিলে ‘মহামায়া’র রূপে সৃষ্টি করেন দেবীদুর্গাকে। দেবতাদের দশ অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সিংহবাহিনী দুর্গা নয় দিনব্যাপী যুদ্ধের পর মহিষাসুরকে পরাজিত করেন।

প্রতীকী আগমন ও বিদায়

পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর দেবী হাতি চড়ে মর্ত্যে আগমন করবেন—যা ফলপ্রসূ কৃষি ও সমৃদ্ধির প্রতীক। তবে তিনি বিদায় নেবেন পালকিতে, যা রোগ-বালাই ও দুর্যোগের আশঙ্কা নির্দেশ করে।

পূর্বপুরুষ স্মরণ

মহালয়ার আরেকটি দিক হলো পূর্বপুরুষদের স্মরণ। এ দিনে প্রয়াত আত্মাদের উদ্দেশে অঞ্জলি প্রদান করা হয় এবং তাদের শান্তি কামনা করা হয়। সনাতন বিশ্বাসে, মহালয়ার তিথিতে প্রয়াত আত্মারা মর্ত্যে ফিরে আসেন।

No comments

ধন্যবাদ।

Powered by Blogger.