Header Ads

Header ADS

শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সুপার ফোরে উজ্জ্বল সূচনা বাংলাদেশের

 

শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সুপার ফোরে উজ্জ্বল সূচনা বাংলাদেশের

দুশমন্থা চামিরার ফুলটসে লাইন মিস করে এলবিডব্লিউ হলেন তাওহিদ হৃদয়। ভাঙল তার সঙ্গে শামীমের ২৭ বলে গড়া ৪৫ রানের জুটি। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি, বল লেগ স্টাম্পে আঘাত হানতই। ৩৭ বলে দুই ছক্কা ও চার চার মেরে ৫৮ রানে আউট হন হৃদয়। তবে তার আগেই ইনিংসে গতি এনে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান। ক্রিজে নামার পর প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে শুরু করেন জাকের আলি। শেষ পর্যন্ত ১৯.৫ ওভারে ৪ উইকেট হাতে রেখেই ১৬৯ রান তুলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ। এতে সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচেই জয় পেয়ে ফাইনালের পথে বড় ধাপ এগিয়ে গেল টাইগাররা।

১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় পাওয়া বাংলাদেশের জন্য বিরল ঘটনা। টি-টোয়েন্টিতে এত বড় টার্গেট তাড়া করে জয়ের ঘটনা এটি মাত্র তৃতীয়। ২০১৮ সালে নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই ২১৫ রান চেজ করে জয়ই ছিল সবচেয়ে বড়।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা তোলে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান। ওপেনিংয়ে পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস ঝড় তুললেও মাঝের ওভারে নিয়ন্ত্রণে ফেরে বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষভাগে দাসুন শানাকা (৩৭ বলে অপরাজিত ৬৪) ও চারিথ আসালঙ্কা (১২ বলে ২১) দলকে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ এনে দেন। মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সেরা বোলার—৪ ওভারে ২০ রানে নিলেন ৩ উইকেট।

জবাবে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১ রানে শূন্য হাতে ফেরেন তানজিদ তামিম। এরপর লিটন দাস (২৩) ও সাইফ হাসান মিলে গড়েন জুটি। ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন সাইফ, খেলেন ৪৫ বলে ৬১ রানের ঝলমলে ইনিংস। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হৃদয় (৫৮)। দুজনের ব্যাটে ভর করেই বাংলাদেশ জয় নিশ্চিত করে।

শেষ ওভারে নাটকীয় উত্তেজনা তৈরি হয়। জয়ের জন্য দরকার ছিল ৫ রান। প্রথম বলেই চার মেরে ব্যবধান নামিয়ে আনেন জাকের আলি। তবে দ্বিতীয় বলে বোল্ড, তৃতীয় বলে ডট এবং চতুর্থ বলে মেহেদীর ক্যাচে চাপ বাড়ে। শেষে নাসুম আহমেদ শর্ট থার্ডম্যান দিয়ে এক রান নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৬৮/৭ (শানাকা ৬৪*, মেন্ডিস ৩৪, নিশাঙ্কা ২২; মুস্তাফিজ ৩/২০, মেহেদী ২/২৫)।
বাংলাদেশ: ১৯.৫ ওভারে ১৬৯/৬ (সাইফ ৬১, হৃদয় ৫৮; শানাকা ২/২১, হাসারাঙ্গা ২/২২)।

ফলাফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সাইফ হাসান।

 বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৪ সেপ্টেম্বর, প্রতিপক্ষ ভারত।

No comments

ধন্যবাদ।

Powered by Blogger.