Header Ads

Header ADS

দ্বিপক্ষীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

 

দ্বিপক্ষীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে সোমবার দুপুরে তিন দিনের দ্বিপক্ষীয় সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আগামীকাল মঙ্গলবার দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ সফরে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (MoU) এবং তিনটি এক্সচেঞ্জ নোট স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন—প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

রবিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শাহ আসিফ রহমান এবং ডেপুটি প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ১১ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত মালয়েশিয়া সফরে কর্মী নিয়োগ ও বিনিয়োগ সহযোগিতা হবে মূল আলোচনার বিষয়। বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বড় কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শাহ আসিফ রহমান জানান, ১১ আগস্ট প্রথম দিনে প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানাবে মালয়েশিয়া। ১২ আগস্ট পুত্রজায়ায় দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক ও এক্সচেঞ্জ নোট স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে উভয় নেতা উপস্থিত থাকবেন। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলন এবং প্রধান উপদেষ্টার সম্মানে রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হবে। একই দিন বিকেলে তিনি ব্যবসায়িক ফোরামে অংশ নেবেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

সফরের তৃতীয় দিনে, ১৩ আগস্ট, প্রধান উপদেষ্টা নেগেরি সেমবিলান প্রদেশের রাজা ও ইউকেএম বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ইউকেএম থেকে তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হবে এবং তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন।

মুখপাত্র আরও জানান, এ সফরে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, শিক্ষা ও জনযোগ বৃদ্ধির মতো বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের আসিয়ান সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়া এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি RCEP-এ যোগদানের ইচ্ছা জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়া ও আসিয়ান দেশগুলোর সক্রিয় ভূমিকার আহ্বানও জানানো হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, এ সফর মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে।

No comments

ধন্যবাদ।

Powered by Blogger.