Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে সফরের দ্বিতীয় দিনে পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান আনোয়ার ইব্রাহিম। লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনারের মাধ্যমে ড. ইউনূসকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় বাজানো হয় দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত। পরে দুই নেতা একান্ত বৈঠকে বসেন।
স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক জোরদার, অভিবাসন সহযোগিতা এবং বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে সেদেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে কুয়ালালামপুর পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। তার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ, জ্বালানি, নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ খাতের উচ্চপদস্থ উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সফরের অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। সম্ভাব্য চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
এছাড়া হালাল ইকোসিস্টেম উন্নয়ন, দুই দেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমির মধ্যে সহযোগিতা এবং উচ্চশিক্ষা খাতে যৌথ উদ্যোগ সংক্রান্ত নথি বিনিময়ের সম্ভাবনাও রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ছিলেন প্রথম বিদেশি সরকারপ্রধান, যিনি বাংলাদেশ সফর করেছিলেন (আগস্ট ২০২৪)।
আপনি চাইলে আমি এই সংবাদটি আরও সংক্ষিপ্ত ও শিরোনামসহ সংবাদ মাধ্যমের উপযোগী ফরম্যাটে সাজিয়ে দিতে পারি।
No comments
ধন্যবাদ।