Header Ads

Header ADS

জামালপুরের দয়াময়ী মন্দির

 জামালপুর পৌর শহরের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দয়াময়ী মন্দির। যার দেয়ালে দেয়ালে আছে অনন্য সব কারুকার্যপূর্ণ। প্রায় সাড়ে তিনশ বছরের পুরনো এ মন্দির ১৬৯৮ইং খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এর আমলে শ্রী কৃষ্ণ রায়চৌধুরী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এ মন্দির।

জামালপুরের দয়াময়ী মন্দির


জনশ্রুতি রয়েছে, জায়গীরদার শ্রী কৃষ্ণ রায়চৌধুরীর ছেলে রাজা যোগেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরীর স্ত্রী রাধারঙ্গিনী দেবীচৌধুরানি স্বপ্নে আদীষ্ট হন মন্দিরটির সংস্কার করতে। তিনি তাঁর স্বামীকে অনুরোধ করেন মন্দিরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে। পুরানো মন্দিরে একই স্থানে ভিন্ন ভিন্নভাবে শিবমন্দির, কালিমন্দির, নাটমন্দির, মনসা দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। 


সুন্দর এই দৃষ্টিনন্দন মন্দিরটি দেখতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন জামালপুর পৌর শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকা। আর দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে এই মন্দিরে যেতে চাইলে প্রথমেই যেতে হবে জামালপুর শহরে। ট্রেন কিংবা বাস দিয়ে যেতে হবে জামালপুর। তবে ঢাকা থেকে জামালপুর যেতেও বাস কিংবা ট্রেনে দুই ভাবেই  যেতে পারবেন। তবে ট্রেনে করে যাওয়াই সবচেয়ে সুবিধাজনক। এক্ষেত্রে আপনি প্রথমে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিস্তা, যমুনা, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস এবং ব্রহ্মপুত্র ট্রেনে করে যেতে হবে।


আর বাস করে যেতে চাইলে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে জামালপুরে যায় এমন পরিবহণে করে প্রথমে জামালপুর যাবেন।  সেখানে পেয়ে যাবেন রিক্সা কিংবা ইজিবাইক । এইসবের যেকোন একটি ভাড়া করে সরাসরি পৌর শহরের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত ঐতিহাসিক দয়াময়ী মন্দিরে পৌঁছে যাবেন।


কোথায় থাকবেন?


পৌর শহরে থাকার তেমন কোন ব্যবস্থা না থাকলেও জামালপুরে বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। জিরো পয়েন্টে অবস্থিত ঐতিহাসিক দয়াময়ী মন্দির ঘুরে এসে আপনি চাইলে জামালপুরে অবস্থিত আবাসিক হোটেলে থাকতে পারেন। এছাড়াও শহরে ডাকবাংলো রয়েছে চাইলে অনুমতি নিয়ে সেসব ডাকবাংলোতে থাকতে পারেন।


কোথায় খাবেন?


জামালপুর কিছু ভালো মানের খাবারের হোটেল, কফিশপ এবং রেস্টুরেন্ট রয়েছে। পৌর শহরে মন্দির দেখে এসে আপনি চাইলে এইসব রেস্টুরেন্টে গিয়েও খেতে পারেন। এছাড়াও লোকাল কিছু হোটেল রয়েছে, চাইলে খেতে পারেন।

No comments

ধন্যবাদ।

Powered by Blogger.