Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
শনিবার (৯ আগস্ট) বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, উজানে অব্যাহত ভারী বর্ষণের প্রভাবে আগামী তিন দিন তিস্তার পানি ক্রমশ বাড়তে পারে। এ সময় তিস্তা নদীর তীরবর্তী লালমনিরহাট, নীলফামারি, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল বন্যায় আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছানোর শঙ্কা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আগামী তিন দিনে সুরমা-কুশিয়ারা, সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীর পানির স্তরও বাড়তে পারে এবং সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। একই সময়ে গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়ে সতর্কসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে পাটগ্রামের গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী ও ডাউয়াবাড়ী; কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈইলমারী ও নোহালী; আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, কালমাটি, বাহাদুরপাড়া ও পলাশী এবং সদর উপজেলার ফলিমারী, খুনিয়াগাছ, কুলাঘাট, মোগলহাট, রাজপুর, বড়বাড়ী ও গোকুন্ডা ইউনিয়ন বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, ঢাকার বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী তিস্তার পানি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হবে না, সাময়িকভাবে নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
No comments
ধন্যবাদ।