Header Ads

Header ADS

উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের, সাগরিকার জোড়া গোলেই জয়

 

উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের, সাগরিকার জোড়া গোলেই জয়

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ বাছাইয়ে উড়ন্ত সূচনা বাংলাদেশের, সাগরিকার জোড়া গোলেই জয়

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে দারুণ শুরু করল বাংলাদেশ দল। লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়ানে বুধবার রাতে আয়োজিত ম্যাচে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে লাল-সবুজের মেয়েরা। ম্যাচে জোড়া গোল করে নায়িকা হন সাগরিকা, আর একটি গোল করেন মুনকি আক্তার।

ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড করে গোলের খাতা খুলে দেন সাগরিকা। তার এই গোলেই প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৯তম মিনিটে আরও একটি চমৎকার গোল আসে মুনকির পা থেকে—দ্রুতগতির আক্রমণে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়ান তিনি।

বাংলাদেশ গোলের আরও বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল। সাগরিকার প্রথম গোলের পর শিখার দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধেও একটি হেড পোস্টে লেগে মাঠে ফিরে আসে। ভাগ্য সহায় হলে জয় আরও বড় হতে পারত।

৮৫তম মিনিটে বাংলাদেশের গোলরক্ষক স্বর্ণা রাণী মন্ডল পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এলে সুযোগ পেয়ে লাওস একটি গোল শোধ দেয়। ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয় তারা। কিন্তু ইনজুরি টাইমে আবারও দৃঢ়চেতা সাগরিকা প্রতিপক্ষ বক্সে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশিং করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এবং নিশ্চিত করেন দলের জয়।

সাম্প্রতিক সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে চার গোল করে ফাইনালের নায়িকা হয়েছিলেন সাগরিকা। এবার সেই পারফরম্যান্স এশিয়ার মঞ্চেও ধরে রেখেছেন তিনি, প্রমাণ করেছেন তার গোলের ক্ষুধা দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত।

বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া এবং অপেক্ষাকৃত দুর্বল তিমুর-লেস্তে। দক্ষিণ কোরিয়া যেখানে পরিষ্কার ফেভারিট, বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সেরা তিন রানার্সআপের তালিকায় জায়গা করে চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো।

এই লক্ষ্যে লাওসের বিপক্ষে জয় ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কাজটাই আত্মবিশ্বাস ও দাপটের সঙ্গে করে দেখিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এই জয় শুধু তিন পয়েন্টই নয়, ভবিষ্যতের লড়াইয়ের জন্য বড় প্রেরণাও হয়ে থাকবে সাগরিকা-মুনকিদের।

No comments

ধন্যবাদ।

Powered by Blogger.