ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত দাপুটে মিরাজ
মিরাজের দুরন্ত নৈপুণ্যে টেস্ট সিরিজে সমতায় বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম টেস্টে
সিরিজ
বাঁচানোর চ্যালেঞ্জে দারুণভাবে জ্বলে
উঠেছে
বাংলাদেশ দল।
মাত্র
তিন
দিনে
ইনিংস
ও
১০৬
রানের
বিশাল
ব্যবধানে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে
২
ম্যাচের সিরিজ
১-১ সমতায় শেষ
করেছে
টাইগাররা। ম্যাচের নায়ক
অলরাউন্ডার মেহেদী
হাসান
মিরাজ,
যিনি
ব্যাট
ও
বল
হাতে
অনবদ্য
পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
প্রথম
ইনিংসে
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে
নিয়ে
বাংলাদেশকে শক্ত
ভিত
গড়ে
দেন
মিরাজ।
১৬২
বলে
১১
চার
ও
১
ছক্কায়
করেন
১০৪
রান।
এতে
বাংলাদেশের স্কোর
দাঁড়ায়
৪৪৪
রান।
এর
আগে
তাইজুল
ইসলামের ঘূর্ণি
জাদুতে
জিম্বাবুয়ে প্রথম
ইনিংসে
গুটিয়ে
যায়
২২৭
রানে।
তিনি
শিকার
করেন
৬টি
উইকেট।
ম্যাচের তৃতীয়
দিন
ব্যাট
হাতে
দৃপ্ত
উপস্থিতি দেখানোর পর
বল
হাতেও
আলো
ছড়ান
মিরাজ।
দ্বিতীয় ইনিংসে
মাত্র
১১১
রানেই
জিম্বাবুয়েকে অলআউট
করে
দেন
বাংলাদেশের দুই
স্পিনার। মিরাজ
একাই
নেন
৫
উইকেট,
আর
তাইজুলের শিকার
৩টি।
দুই
ইনিংসে
মোট
৫
উইকেট
এবং
ব্যাটে
১০৪
রানের
দুর্দান্ত অবদান
রাখায়
মিরাজ
হন
ম্যাচ
সেরা।
পুরো
সিরিজে
১৫
উইকেট
ও
১১৬
রান
করে
সিরিজ
সেরার
পুরস্কারও ওঠে
তার
হাতে।
একই
সঙ্গে
তিনি
গড়েছেন
এক
অনন্য
কীর্তি—মাত্র ৫৩তম টেস্টেই ২০০০
রান
ও
২০০
উইকেটের ডাবল
পূর্ণ
করে
তিনি
হয়েছেন
টেস্ট
ইতিহাসে ২৬তম
এবং
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার। সাকিব
আল
হাসান
এই
মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন ৫৪তম
টেস্টে।
এছাড়া
এই
ম্যাচেই অভিষেক
হওয়া
তানজিম
হাসান
সাকিব
১০
নম্বরে
নেমে
করেন
৪১
রান,
যা
অভিষেকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। জিম্বাবুয়ের তরুণ
স্পিনার ভিনসেন্ট মাসাকেসা ৫
উইকেট
শিকার
করে
নজর
কাড়লেও
তা
ম্লান
হয়ে
গেছে
মিরাজের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে।
এ
জয়
বাংলাদেশের টেস্ট
ইতিহাসে ২৩তম
এবং
ইনিংস
ব্যবধানে তৃতীয়
জয়।
আগের
দুটি
জয়
ছিল
২০১৮
সালে
ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে এবং
২০২০
সালে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

No comments
ধন্যবাদ।