নোমান নজরবীর কবিতা, ‘ছায়া প্রসঙ্গ’
কিছু ছায়া নিঃসঙ্গ ও মাতাল—মদের বতলে পাওয়া যায়;
সতর্কে গ্লাসে ঢালি ছায়াসুধা—আর মিশায়ে বরফের কুচি
জমাট নির্জনে সাইলেন্ট করি পান এবং মৃদু ঝাকি লাগে
আর বিবিধ বাহাস নিয়ে মগজে ঢুকে পড়ে ছায়ার কোলাহল
কেবলই টলমল লাগে—চোখের পাতা-পল্লব হয়ে আসে ভারি
আমি যাকে ভুলতে চাই তাকে কি ভুলতে পারি!
পা নির্ভুল তবু এলোমেলো রাস্তার চলাচল—সে পথেই
খুঁজি খোয়ানো মুখ অথবা হারানো প্রাচীন কয়েন—
যেদিক দিয়ে প্রেম চলে গেছে চিরদূর
স্মরণের দূরবীনে তারে সন্ধান করি।
আর তাকালে আকাশের প্যাভিলিয়নে
ষোড়শী চাঁদের মেয়ে
পৃথিবীর দিকে মেলে ধরে নিলাজ স্তনের ভাঁজ
একজন কবি ও প্রেমিককে করে তোলে কামনাপ্রবণ
উত্তাল গাঙের মতোন সে তখন শরীরে জলের কাঁপন মাখে
নিজস্ব নারী নাই, তাই, ইন্দুর সাথে ফ্লাট করে কিছুক্ষণ
আর প্রেম প্রেম ভাব—কবিতা করে
বখাটের মতো জোস্নার আচল ধরে টান মারে
তখন বুকের ভেতরে কেউ হয়ে যাচ্ছে খান খান
নিঃসঙ্গ হলে ছায়ারাও মাতাল হয়ে ওঠে
ছায়ার শরীরে পাওয়া যায় মৃত্যুর ঘ্রাণ
নিঃসঙ্গ ছায়াদের পাওয়া যায় মদের বোতলে
সেসব শীতলতা শরীরে মাখি—নিয়ে আঁখি ঝিম ঝিম
বিধুর বাতাসে ঘাসের ওপর ঘুমিয়ে পড়ি অথবা যাই মরে—
মৃত্যুর ভেতর পূর্বজন্মের কোন স্মৃতি এসে হাত ধরে!
No comments
ধন্যবাদ।