আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের পরিস্থিতি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে সারাদেশে। বিভিন্ন প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হচ্ছে এই পরিস্থিতি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির মতো গণমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে এই ইস্যু।
অনেকদিন ধরে চলে আসা কোটা সংস্কার আন্দোলন সাম্প্রতিক সময়ে সহিংস রুপ নেয়। সহিংসতায় নিহতের ঘটনায় আরও জোরালো হয়ে ওঠে আন্দোলন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে গতকাল শনিবার লক্ষাধিক মানুষ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়। তখন দেশাত্মবোধক গান ও স্লোগান দিতে থাকেন অংশগ্রহণকারীরা। একটা পর্যায়ে সেখান থেকে এক দফা দাবি জানিয়ে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। এরপর সরকারদলীয় সমর্থক ও অঙ্গ সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত সারাদেশ থেকে সহিংসতায় ২৬ জনের নিহতের খবর মিলেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সহিংস হয়ে উঠেছে আন্দোলন। আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। হতাহতের খবর মিলছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজপথে নেমে এসেছে হাজার হাজার শিক্ষার্থী। তাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ। শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের পাশাপাশি আজ কুমিল্লা ও গাজীপুরে বিক্ষোভকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘাত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস কোটা আন্দোলনের সার্বিক বিষয় নিয়ে বড় প্রতিবেদন করেছে। এতে বিশেষজ্ঞদের মতামতও যুক্ত করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদেন বলা হয়, বাংলাদেশে বেকারত্বের উচ্চ হারের কারণে কোটা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আন্দোলনে নেমেছে ছাত্রজনতা। বিক্ষোভ থামাতে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে সংঘাত আরও বেড়ে যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেখানে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
No comments
ধন্যবাদ।