Header Ads

Header ADS

গাজার গণকবরে মরদেহ বেড়ে ৩২৪, স্বচ্ছ তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র

 গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের আল নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে পাওয়া গণকবর থেকে আরও মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।




স্থানীয় সময় বুধবার পর্যন্ত ফিলিস্তিনের বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলগুলো নাসের হাসপাতালের গণকবর থেকে ৩২৪টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা ওসিএইচএ।


বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।


বিক্ষোভে সমর্থন দেওয়ায় র‍্যাপারকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরানবিক্ষোভে সমর্থন দেওয়ায় র‍্যাপারকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরান

ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সকে উদ্ধৃত করে ওসিএইচএ জানায়, গণকবর থেকে পাওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং রোগীরাও রয়েছে।


এসব মরদেহের মধ্যে কেবল কয়েকজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।


এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক এই হত্যাকাণ্ডের স্বাধীন, কার্যকর ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।


এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে হাসপাতালগুলো বিশেষ সুরক্ষা পাওয়ার অধিকারী। বেসামরিক নাগরিক, বন্দীদের কারণ ছাড়া হত্যা করা একটি যুদ্ধাপরাধ বলেও মন্তব্য করেন তুর্ক।


অন্যদিকে আল নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে পাওয়া গণকবর থেকে উদ্ধারকৃত মরদেহ বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


বুধবার হোয়াইট হাউস জানায় যে, ইসরায়েলি অবরোধে ধ্বংস হওয়া গাজার হাসপাতালগুলোতে গণকবর আবিষ্কারের পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে "উত্তর" চায় যুক্তরাষ্ট্র।


মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এই বিষয়ে উত্তর চাই। আমরা এটির পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এবং স্বচ্ছভাবে তদন্ত দেখতে চাই।”


জীবিত ইসরায়েলি আমেরিকান জিম্মির ভিডিও প্রকাশ করল হামাসজীবিত ইসরায়েলি আমেরিকান জিম্মির ভিডিও প্রকাশ করল হামাস

তবে গাজায় গণহত্যার কথা অস্বীকার করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর নাদাভ শোশানি বলেন, ‘নাসেরের কবরগুলো কয়েক মাস আগে গাজাবাসীরাই খনন করেছিল।"


খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে আবিষ্কৃত গণকবর থেকে পাওয়া মৃতরা ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ও দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে গাজার উত্তরে আল-শিফা হাসপাতালেও গণকবর আবিষ্কার হয়।


গাজায় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক আইনে সুরক্ষা পাওয়া হাসপাতালগুলোও বারবার ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের শিকার হয়েছে।

No comments

ধন্যবাদ।

Powered by Blogger.