অভিভাবকদের দাবি অনলাইনে ক্লাস নেয়ার
দফায় দফায় হিট অ্যালার্টের মধ্যেই রোববার (২৮ এপ্রিল) থেকে খুললো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ক্লাসরুমে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা শিক্ষার্থীদের। মাথার ওপর ফ্যান চললেও মিলছে না স্বস্তি। কোনো কোনো স্কুলে অসুস্থও হয়েছে কয়েকজন। এ অবস্থায় অনলাইনে ক্লাস নেয়ার দাবি অভিভাবকদের। তবে শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির বেশি হলে নির্দিষ্ট এলাকায় বন্ধ রাখা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে আবারো সেই চিরচেনা ঘণ্টার শব্দ। নব প্রাণে যেন জেগেছে উচ্ছ্বাস। শিশু কিশোরদের কলকাকলিতে শ্রেণিকক্ষের প্রাণ ফিরলেও বিপত্তি বেঁধেছে তীব্র তাপপ্রবাহে।
বিরূপ আবহাওয়া যেন অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দ। অসহ্য এই গরমেও বসতে হচ্ছে গাদাগাদি করে। তাই হাঁসফাঁস অবস্থা শিক্ষার্থীদের। মাথার ওপর ফ্যান থাকলেও তা যেন স্বস্তি দিতে পারছে না। তাই অনেকের হাতে হাতপাখা বা চার্জার ফ্যান। হাতে থাকা রুমাল বা টিস্যুতে ঘাম মুছে অস্বস্তি থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা অনেকের। স্কুলে আসা যাওয়ার ভোগান্তিতে অনেকটাই কেড়ে নিয়েছে পড়ার মনোযোগও।
গরম থেকে বাঁচতে শিক্ষকরা বার বার পানি পানের নির্দেশনা দেন। শিক্ষার্থীরাও সঙ্গে আনে পানির বোতল। অনেক প্রতিষ্ঠানেই আগে থেকে প্রস্তুত রাখা হয় খাবার স্যালাইন ও অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা। তারপরও বেশ কিছু শিক্ষার্থীই গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় স্কুলের স্বাস্থ্য কেন্দ্রেই।
এ অবস্থায় তীব্র তাপপ্রবাহের পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা। সময় সংবাদকে এক অভিভাবক বলেন, আমরা যারা সিনিয়র তারাই অসুস্থ হয়ে পড়ছি। আর সেখানে বাচ্চাদের অবস্থা আরও খারাপ। তাদের বমি হচ্ছে, মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছে। অনলাইনে ক্লাস হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে ভালো হয় বলে মত দেন আরেক অভিভাবক।
তবে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, কোনো জেলায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির উপরে গেলে বন্ধ হবে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এর আগে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এক সপ্তাহ বাড়ানো হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি।
বেশি ভালো হয় স্কুল বন্ধ থাকে বাচ্চারা এত অসুস্থ হয়ে পড়বে 18 কিন্তু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছে এমনকি আমার বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়ছে
ReplyDelete